বরমী খেয়া ঘাটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার বরমী খেয়া ঘাট একটি ঐতিহ্যবাহী নদীপথ। বহু বছর আগে থেকেই এই ঘাট ছিল গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের প্রধান মাধ্যম। নৌকা ছিল তাদের ভরসা, আর নদী ছিল জীবনের অংশ। আজও এই নদীর তীরে প্রতিদিন নৌকা আসে–যায়, জেলে ও যাত্রীরা ব্যস্ত থাকে আপন কাজে। বর্ষায় নদী ভরে ওঠে, শীতে শান্ত হয়ে যায়—তবুও এর সৌন্দর্য কখনও মলিন হয় না। প্রকৃতি, মানুষ আর ঐতিহ্যের এক অনন্য মিলনস্থল এই বরমী খেয়া ঘাট।
নদী বাঁচাও – জীবন বাঁচাও
নদী শুধু জল নয়, এটি আমাদের জীবনের উৎস। গ্রামের নদী আমাদের ফসলকে বাঁচায়, মাছ ও পানির যোগান দেয়; শহরের নদী ঠান্ডা বাতাস, সৌন্দর্য আর ভারসাম্য রাখে প্রকৃতিতে। কিন্তু দখল, দূষণ আর অবহেলায় এই নদীগুলো হারিয়ে যাচ্ছে নিঃশব্দে। নদী মরে গেলে ফসল মরে, প্রকৃতি মরে, মানুষও বাঁচে না।
তাই আসুন— নদীকে ভালোবাসি, নদীকে রক্ষা করি।
কারণ, নদী বাঁচলে দেশ বাঁচবে, প্রকৃতি বাঁচবে, আমরাও বাঁচব।
আমাদের অস্তিত্বের ইতিহাস
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। শত শত বছর ধরে আমাদের কৃষি, জীবন ও সংস্কৃতির মূল ভিত্তি এই নদী। এক সময় এই নদীপথে চলত নৌযান, মানুষ পেত জীবিকার উৎস, মাঠভরা থাকত ফসলের সোনালি রঙে। কিন্তু আজ অনেক নদী হারাচ্ছে তার প্রাণ—পলি, দূষণ ও দখলের কারণে শুকিয়ে যাচ্ছে নদীর বুক। প্রকৃতি হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য, মানুষ হারাচ্ছে তার জীবনরস।
তাই এখনই সময় নদীকে বাঁচানোর।
নদী রক্ষা মানে আমাদের ভবিষ্যৎ রক্ষা, আমাদের শিকড়কে বাঁচিয়ে রাখা।
বাংলাদেশের নদী ও নদী বাঁচাও আন্দোলন
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ—এই নদীগুলোর স্রোতধারা আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীবনের সঙ্গে জড়িত। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ শত শত নদী আমাদের কৃষি, মৎস্য, পরিবহন ও জীবিকার প্রধান উৎস। কিন্তু দখল, দূষণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে নদীগুলো হারাচ্ছে তাদের প্রাণ। তাই আজ প্রয়োজন সচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ—নদী বাঁচাও মানেই জীবন বাঁচাও। নদী টিকলে প্রকৃতি টিকবে, আর প্রকৃতি টিকলে টিকবে বাংলাদেশ।